নিজস্ব প্রতিবেদন, দ্য সহজ পাঠ ডেস্ক : পুজোর মরসুমে লঞ্চ পরিষেবা বন্ধ থাকায় তৈরি হয়েছিল যাত্রী ভোগান্তির আশঙ্কা। তবে পঞ্চমীর দিনই মিলল স্বস্তি। কর্মীদের বকেয়া বেতন মেটানোর আশ্বাসের পর বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১৪টি ঘাটে ফের চালু হল লঞ্চ পরিষেবা। ফলে কলকাতায় ঠাকুর দেখতে আসা দর্শনার্থীদের যাতায়াত নিয়ে উদ্বেগ অনেকটাই কাটল।
দু’মাসের বকেয়া বেতন এবং পুজোর বোনাস না পাওয়ার অভিযোগে বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন হাওড়া, হুগলি ও উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন ফেরিঘাটের কর্মীরা। এর জেরে বন্ধ হয়ে যায় নদীপথে যাত্রী পরিবহণ। পুজোর ব্যস্ত সময়ে এই পরিষেবা বন্ধ থাকায় বিশেষ করে হাওড়া স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে কলকাতায় ঠাকুর দেখতে আসা মানুষের যাতায়াত নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।
এমনিতেই পুজোর দিনগুলিতে বাস ও ক্যাবে যাত্রীদের চাপ বাড়ে। তার উপর লঞ্চ পরিষেবা বন্ধ থাকলে বিকল্প পরিবহণের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার আশঙ্কা ছিল। সেই পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিষেবা স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।মন্ত্রী উমেশ রায়ের সঙ্গে হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির কর্মীদের বৈঠকের পর পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। মন্ত্রী আগামী এক থেকে দু’দিনের মধ্যে কর্মীদের বকেয়া বেতন মেটানোর আশ্বাস দেন। এরপরই কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে লঞ্চ চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পঞ্চমীর দুপুর থেকেই ১৪টি ঘাটে ফের লঞ্চ চলাচল শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে যাত্রীদের মধ্যে। পুজোর ভিড়ে হাওড়া ও সংলগ্ন এলাকা থেকে কলকাতায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে নদীপথ গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায়, পরিষেবা দ্রুত চালু হওয়ায় বড়সড় ভোগান্তির আশঙ্কাও আপাতত কমল।